সূর্যমুখী [Sunflower]

0
70

পরিচিতি

বাংলা নামঃ সূর্যমুখী ইংরেজী নামঃ Sunflower
বৈজ্ঞানিক নামঃ Helianthus annuus
পরিবারঃ Asteraceae (Compositae)

সূর্যমুখী একটি উৎকৃষ্ট তেল ফসল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সূর্যমুখীর ব্যাপক চাষ হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে সূর্যমুখী একটি তেল ফসল হিসেবে বাংলাদেশে আবাদ হচ্ছে। বর্তমানে রাজশাহী, যশেঅর, কুষ্টিয়া, নাটোর পাবনা, দিনাজপুর,গাজীপুর, টাংগাইল প্রভৃতি জেলাতে এর ব্যাপক চাষ হচ্ছে। সূর্যমুখীর বীজে ৪০-৪৫% লিনোলিক এসিড ররয়ছে। সূর্যমুখীর তেলেক্ষতিকারক ইরোসিক এসিড নাই। সূর্যমুখীর হেক্টরপ্রতি ফলন ১.৭-১.৯ টন।

সূর্যমুখীর জাত

কিরণী (ডিএস-১)
সূর্যমুখীর কিরণী (ডিএস-১ জাতটি সংগৃহীত জার্মপ্লাজম হতে বাছাইয়ের মাধ্যমে উদ্ভাবন কর হয় এবং ১৯৮২ সালে অনুমোদন করা হয়। এ জাতের গাছের উচ্ছতা ৯০-১১০ সেমি। বীজ লম্বা ও চেপ্টা। হাজার বীজের ওজন ৬০-৬৫ গ্রাম। বীজের রং কালো। প্রতি গাছে ১ টি করে মাঝরি আকারের পুস্পস্তক ধরে থাকে। ভাদ্র-আশ্বিন (মধ্য-আগষ্ট থেকে মধ্য-অক্টেবর) মাসে বপন করলে ফসল সংগ্রহ করতে ৯০-১০০ দিন সময় লাগে। প্রতি হেক্টরে ১.৩-১.৫ টন ফলন পাওয়া যায়। কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে (মধ্য-অক্টোবর থেকে মধ্য ডিসেম্বর) বপন করলে ১০০-১১০ দিন সময় লাগে। প্রতি হেক্টরে ১.৬-১.৮ টন ফলন পাওয়া যায়। বীজে তেলের পরিমাণ ৪২-৪৪%। জাতটি মোটামুটিভাবে অলটারনারিয়া ব্লাইট রোগ সহনশীল।

বারি সূর্যমুখী-২
এসটি-২২৫০ হাইব্রিড থেকে স্ব-পরাগায়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসটি-২২৫০ সি লাইনটি বাছাই করা হয়। এ লাইনটি ২০০৪ সালেরর মার্চ মাসে ‘বারি সূর্যমুখী ২’ নামে বাংলাদেশে চাষাবাদের জন্য অনুমোদিত হয়। এ জাতের গাছের উচ্চতা ১২৫-১৪০ সেমি। জাতের ব্যাস ২.০-২.৪ সেমি। পরিপক্ক পুস্পযুগবী বা মাথার ব্যাস ১৫-১৮ সেমি। বীজের রং কালো। প্রতি মাথায় বীজের সংখ্যা ৩৫০-৪৫০ টি। বীজে তেলের পরিমাণ শতকরা ৪২-৪৪ বাগ। ফসলের জীবনকাল রবি মৌসুমে ৯৫-১০০ দিন এবং খরিফ মৌসুমে ৮৫-৯০ দিন। হেক্টর প্রতি রবি মৌসুমে ২.০-২.৩০ টন এবং খরিফ মৌসুমে ১.৫-১.৮ টন।

জমি তৈরী

সূর্যমুখীর জমি গভীরভাবে চাষ হওয়া প্রয়োজন। জমি ৪-৫ বার আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরে করে নিরেত হয়।

বপনের সময়

সূর্যমুখী সারা বছর চাষ করা যায়। তবে অগ্রহায়ণ মাসে (মধ্য-নভেম্বর থেকে মধ্য ডিসেম্বর) চাষ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়। দেশের উত্তর ও পশ্চিম অঞ্চলে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রী সে. এর নিচে হরে ১০-১২ নি পরে বীজ বপন করা উচিৎ। খরিফ-১ মৌসুমে অর্থ্যৎ জ্যৈষ্ট (মধ্য-এপ্রিল থেকে মধ্য-মে) মাসেও এর চাষ করা যায়।

সূর্যমুখী গাছ

বপন পদ্ধতি ও বীজের হার

সূর্যমুখীর বীজ সারিতে বুনতে হয়। সারি থেকে সারির দূরত্ব ৫০ সেমি এবং সারিতে গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ২৫ সেমি রাখতে হবে। এ ভাবে বীজ বপন করলে হেক্টরপ্রতি ৮-১০ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। বারি সূর্যমুখী-২ এর জন্য হেক্টরপ্রতি ১২-১৫ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়।

সারের পরিমাণ

সূর্যমুখীতে নিম্নরুপ পরিমাণে সার ব্যবহার করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

সারের নামসারের পরিমান/হেক্টর
ইউরিয়া৫০-৬০  কেজি
টিএসপি১৫০-১৭৫  কেজি
এমপি১০০-১২০  কেজি
জিপসাম৮০-১১৫  কেজি
সারের পরিমান

*রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগা ও রাজশাহী এলাকার জন্য প্রয়োজন। বারি সূর্যমুখী-২ চাষের জন্য নিম্ন বর্ণিত হারে সার প্রয়োগ করলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।

সারের নামবিঘাপ্রতি (কেজি)একরপ্রতি (কেজি)হেক্টরপ্রতি (কেজি)
ইউরিয়া২৫-২৭৭৫-৮০০১৮০-২০০
টিএসপি২৩-২৫৬৮-৭২১৬০-১৮০
এমপি২০-২৫৬৩-৬৭১৫০-১৭০
জিপসাম২০-২৫৬৩-৬৭১৫-১৭০
জিংকসালফেট১.৩৫৮-১০
বরিক এসিড১.৩৫১০-১২
ম্যাগনেসিয়াম সালফেট*১০.৫-১৩.৫৩২.৫-৪০.৫৮০-১০০
গোবর (টন)১.১-১.৩৩.২-৪.০৮-১০
সারের মাত্রা

*রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁ, বগুড়া, জয়পুরহাট, নওগা ও রাজশাহী এলাকার জন্য প্রয়োজন।

সার প্রয়োগ পদ্ধতি

ইউরিয়া সার অর্ধেক এবং বাকি সব সার শেষ চাষের সময় জমিতে ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। বাকি অর্ধেক ইউরিয়া ২ ভাগ করে প্রথমে ভাগে চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর এবং দ্বিতীয় ভাগে ৪০-৪৫ দিন পর বা ফুল ফোটার পূর্বে প্রয়োগ করতে হয়।

বীজ শোধন

মাটি ও বীজ থেকে সৃষ্টি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের জন্য বীজ শোধন একান্ত প্রয়োজন। বীজ শোধনের ফলে প্রধানত বীজ বাহিত রোগ দমন হয়। ভিটাভেক্স-২০০ ছত্রাক নিবারক দ্বারা বীজ শোধন করা হয়। প্রতি কেজি সূর্যমুখী বীজের জন্য মাত্র ৩ (তিন) গ্রাম ভিটাভেক্স-২০০ প্রয়োজন। একটি বড় প্লাস্টিকের ঢাকনাযুক্ত পাত্রে সূর্যমুখীর বীজ নিয়ে পরিমাণমত ঔষধ মিশিয়ে পাত্রের মুখ বন্ধ করে ভালভাবে ঝাঁকিয়ে ১ দিন রেখে দেবার পর বীজ জমিতে বপন করতে হয়।

গাছ পাতলা করণ

অতিরিক্ত গাছ থাকলে চারা গজানোর ১৫-২০ দিন পর প্রতি হিলি/গোছায় ১টি করে সুস্থ-সবল গাছ রেখে বকি গাছগুলো ফেলতে হবে।

সূর্যমুখী খেত

আগাছা দমন

চার গজানোর ২০-২৫ দিন পর প্রথম এবং চারা গজানোর ৪৫-৫০ দিন পরম দ্বিতীয় বার নিড়ানী দিতে হয়। সেচ প্রয়োগ সূর্যমুখী ফসলের বেশী পেতে হলে কয়েক বার পানি সেচ দিতে হবে। প্রথম সেচ বীজ বপনের ৩০ দিন পর (গাছে ফুল আসার আগে), দ্বিতীয় সেচ বীজ বপনের ৫০ দিন পর (পুষ্পস্তক তৈরির সময়) এবং সেচ বীজ বপনের ৭০ দিন পরে (বীজ পুষ্ট হবার আগে) দিতে হবে।

ফসল সংগ্রহ

বপন থেকে পরিপক্ক হওয়া পর্যন্ত ৯০ থেকে ১১০ দিন সময় লাগে।

অন্যান্য পরিচর্যা

সূর্যমুখীর পাতা ঝলসানো রোগ দমন
আমাদের দেশে সূর্যমুখীর রোগর মধ্যে পাতা ঝলসানো রোগটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। অলটারনারিয়া হেলিয়াস্থ নামক ছত্রাকের আক্রমণে সূর্যমুখীর এ রোগটি হয়ে থাকে। প্রথমে পাতায় ধসর বা গাঢ় বাদামি বর্ণের অসম আকৃতির দাগ পড়ে। পরে দাগ মিশে গিয়ে বড় দাগের সৃষ্টি করে। অবশেষে সম্পূর্ণ পাতা ঝলসে যায়।

প্রতিকার
১। রোগ সহনশীল কিরণী জাত চাষ করতে হবে।
২। রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রোভারাল-৫০ ডব্লি পি (২%হারে) পানির সাথে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার জমিতে প্রয়োগ করলে রোগের প্রকোপ কমে য্‌য়।
৩। ফসল কাটার পর গাছের পরিত্যাক্ত অংশ নষ্ট করলে বা পুড়ে ফেললে এ রোগের উৎস নষ্ট হয়ে যায়।

সূর্যমুখীর শিকড় পচা রোগ দমন
সূর্যমুখীর সাধারণত স্কেলেরোশিয়াম রলফসি নামক ছত্রাকের কারণে এ রোগ হয়ে থাকে। আক্রান্ত গাছের গোড়া সাদা তুলার মত ছত্রাকের মাইসেলিয়াম এবং গোলাকার দানার মত শ্বেলেরোশিয়াম দেখা যায়। প্রথমে গাছ কিছুটা নেতিয়ে পড়ে। কয়েক দিনের মধ্যে সমস্ত গাছ ঢলে পড়ে এবং শুকিয়ে মারা যায়।
প্রতিকার
১। ভিটাভেক্স-২০০ এর সাহায্যে মাটি শোধনের মাধ্যমে এ রোগের বিস্তার রোধ করা যায়।
২। সাধারণত জমি পানি সিক্ত থাকলে এর ছত্রাক বাঁচতে পারে না। সুতরাং রোগ আক্রমণের পর জমিতে প্লাবন সেচ দিয়ে প্রকোপ কমানো যায়।
৩। পর্যায়ক্রমিক ভাবে ফসলের চাষ করলে উপযুক্ত পোষক গাছের অভাবে পূর্ববতী আক্রমণকারী রোগের বিস্তার রোধ করা যায়। ফসল কাটা ও শুকানো সূর্যমুখী বপনের ৬৫-৭০ দিন পরে ফুলের বীজ পুষ্ট হওয়া শুরু হয়। এ সময় টিয়া পাখির উপদ্রব শুরু হয়। খুব ভোরে এবং সন্ধ্যার পূর্বে পাখীর আক্রমণ বেশী হয়। বীজ পুষ্ট হওয়া শুরু করে ফসল কাটা পর্যন্ত জমিতে সকাল বিকাল পাহারার ব্যবস্তা করা প্রয়োজন। জমির মাঝখানে চেয়ে চারি ধারে পাখির আক্রমণ বেশী হয়। বাঁশের চোঙ বা ঘন্টা বাজিয়ে অথবা ক্ষেতের মাঝে কেরোসিনের টিন উঁচু করে বেধে রশির সাহায্যে দুর থেকে টেনে শব্দ করলে জমিতে পাখি বসতে পারে না। বিছিন্ন জায়গায়, স্বল্প কন্ড জমিতে সূর্যমুখীর চাষ করলে পাখির উপদ্রব বেশী হয়। এক সংগে বেশী এলাকায় সূর্যমুখীর চাষ করলে ফসলের ক্ষতি অনুপাতিক হারে কম হয়। সূর্যমুখী কাটার সময় হলে গাছের পাতা হলদে হয়ে আসে এবং পুস্পস্তবক (মাথা) সহ গাছগুলো নুয়ে পড়ে। বীজগুলো কালো রং এবং দানাগুলো পুষ্ট ও শক্ত হয়। মৌসুমে অনুসারে ফসল পরিক্ক হতে ৯০-১০০ দিন সময় লাগে। সঠিকভাবে সূর্যমুখীর চাষ করলে হেক্টরপ্রতি ১৫০০-১৮০০ কেজি বা প্রতি একরে ১৬-২০ মণ বীজ উৎপাদন করা সম্ভব। গাছ থেকে পুস্পস্তবক সংগ্রহ করে রোদে ২/১ দিনে ছড়িয়ে দিতে হবে। এসময় মাথাগুলো নরম হয়ে যায় ফলে শক্ত বাঁশের বা কাঠের লাঠি দিয়ে সূর্যমুখীর মাথার পিছনে আঘাত করলে বেশির ভাগ বীজ ঝরে পড়ে। অবশিষ্ট বীজ হাত দিয়ে ছড়িয়ে দিতে হয়। বীজ ভালভাবে ছাড়িয়ে ৪/৫ দিন রোদে শুকানো উচিত। বীচ ছাড়ানোর পর মথাগুলো গরুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ফসল কর্তনের পর সূর্যমুখীর গাছ ও পুস্পস্তবক জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সূর্যমুখীর তেল

বীঁজ সংরক্ষণ বা গুদামজাতকরণ
সূর্যমুখীর বীজ পরের মৌসুমে লাগানোর জন্য গুতদামজাত করা প্রয়োজন। বীজে পানির পরিমাণ,সংরক্ষকাল ও বাতাসের আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা বিশেষভাবে অংকুরোদগম ক্ষমতা প্রভাবিত করে। বীজ সংরক্ষণের পূর্বে অপরিক্ক এবং ভাংগা বীজ বেছে ফেলতে হবে। মোটা পলিথিন ব্যাগ বা কেরোসিন টিন বা টিনের ড্রাম বীজ সংরক্ষণের জন্য উত্তম। আর্দ্রাতা এবং পোকার আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য পাত্রের মুখ ভালভাবে বন্ধ করে দিতে হবে। বীজসহ সকল সংরক্ষিত পাত্রগুলো একটি শুকনো এবং পরিষ্কার ঘরে রাখতে হবেযেখানে বীজ পোকা-মাকড় বা ইঁদুর দ্বারা আক্রান্ত হবে না। ভেতরে পলিথিন দিয়ে চটের বস্তায় ভালভাবে শুকানো বীজ প্রতি ৩০ কেজির জন্য ২৫০ গ্রাম ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডসহ সংরক্ষণ করলে ৭-৮ মাস পরেও বীজের শতকরা ৮০ ভাগ অংকুরোদগম ক্ষমতা বজায় থাকে। এ সকল পাত্র মাটির সংস্পর্শে রাখা যাবে না। বর্ষাকালে এক থেকে দু’বার বীজ পুনরায় রোদে শুকিয়ে নেয়া ভাল। তৈল নিষ্কাশন
ঘানিতে ২৫% এবং এক্সপোলারে ৩০-৩৫% তেল নিঃষ্কাশন সম্ভব।

আন্তঃফসল – চীনাবাদাম চাষ

প্রযুক্তি এলাকাঃ নেয়াখালী, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, রাজশাহী, নাটোর এবং চীনাবাদাম এলাকা
ফসলঃ সূর্যমুখী +চীনাবাদাম
জাত সূর্যমুখীঃ কিরণী অথবা হাইব্রিড
চীনাবাদামঃ ঢাকা-১ বা অন্য কোন জাত
জমি ও মাটিঃ মাঝরি উঁচু জমি। দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি।
বপনের সময়ঃ পৌষ মাস (মধ্য-নভেম্বর থেকে মধ্য ডিসেম্বর ভাদ্র মাস (মধ্য আগষ্ট-মধ্য -সেপ্টম্বর)
বপন পদ্ধতিঃ এক জোড়া সারি সূর্যমুখী থেকে অন্য জোড়া সারির দূরত্ব ১০০ সেমি। জোড়া সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ সেমি। চীনাবাদামের সারি থেকে সারির দূরত্ব ৪০ সেমি। সূর্যমুখীর গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ৩০ সেমি এবং চীনাবাদামের গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১৫ সেমি। সূর্যমুখীর সারির মাঝে ২ সারি চীনাবাদাম বপন করতে হবে।

বীজের হার/হেক্টর
সূর্যমুখীঃ ১২ কেজি
চীনাবাদামঃ ৫৫ কেজি

সারের পরিমাণ

সারের নামসারের পরিমান/হেক্টর
ইউরিয়া১০০-১২০ কেজি
টিএসপি১৬০-১৮০  কেজি
এমপি১৫০-১৭০  কেজি
জিপসাম১৫০-১৭০ কেজি
বরিক এসিড (প্রয়োজন রোধে)১০-১২  কেজি

সার প্রয়োগ পদ্ধতি
অর্ধেক ইউরিয়া ও অন্যান্য সারের সবটুকু জমি তৈরীর সময় প্রয়োগ তরতে হবে। বাকি ইউরিয়া সার দুই ভাগে চারা গজানোর ২৫ ও ৫০ দিন পর দুই সারি সূর্যমুখীর মাঝে পয়োগ করে কোদালে দিয়ে কঁপিয়ে দিতে হবে।

অন্যন্য পরিচর্যা
চারা গজানেরা ১৫ দিন পর সূর্যমুখী ও চীনাবাদারে ১ টি করে চারা প্রতি গোছায় রেখে বাকি চারা তুলে ফেলতে হবে। প্রয়োহজন অনুসারে ১-২ বার নিড়ানী ও সেচ দিতে হবে।

ফসল তোলার সময় সূর্যমুখীঃ মধ্য-ফাল্গুন থেকে মধ্য-চৈত্র (মার্চ)মধ্য-আশ্বিন থেকে মধ্য-কার্তিক (অক্টোবর)
চীনাবাদামঃ মধ্য-বৈশাখ থেকে মধ্য-জ্যৈষ্ট (এপ্রিল) মধ্য-অগ্রহায়ণ থেকে মধ্য-পৌষ (নভেম্বর)
ফলন সূর্যমুখীঃ ১৪০০ কেজি/হেক্টর
চীনবাদামঃ ১০০০-১২০০ কেজি/হেক্টর

রিপ্লাই করুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন
দয়া এখানে আপনার নাম লিখুন